Baksho

ডেস্কের সঙ্গী · নং ০১ · তৈরি হচ্ছে

ছোট্ট বাক্স, বড় মন।

বাক্সে বন্দি সবাই, বাক্সই হোক বন্ধু।

বাক্স হাতের তালুর মাপের এক ডেস্ক-পোষা। তাকে হাতে তুলুন, টোকা দিন বা একা রেখে দিন, তার ছোট্ট সাদা-কালো মুখটা সাড়া দেবে, আর মনে রাখবে আপনি তার সঙ্গে কেমন ব্যবহার করলেন।

মাপ
৫৩ × ৪৪ × ৬০ মিমি
পর্দা
১২৮ × ৬৪ OLED
লাগে
অ্যাপ বা ওয়াই-ফাই লাগে না
সামনে থেকে একটু কোণাকুণি দেখা বাক্স: গোলাকার উষ্ণ-ধূসর খোলস, ওপরে কমলা বোতাম, আর সাদা-কালো পিক্সেলের মুখ।

টেনে ঘোরান · Ctrl চেপে স্ক্রল করলে জুম · খোঁচা দিতে ক্লিকটেনে ঘোরান · দুই আঙুলে জুম · খোঁচা দিতে ট্যাপ

01মুখ

এক ছোট্ট পর্দায় ছত্রিশটা মুখ।

১২৮ × ৬৪ পিক্সেলের ঝকঝকে OLED, কালোর ওপর সাদা। বাক্স চোখ পিটপিট করে, এদিক-ওদিক তাকায়, হাসে, অভিমান করে, ঝিমিয়ে পড়ে। প্রতিটা অভিব্যক্তি পিক্সেল ধরে ধরে আঁকা।

  • ৩৬টা অ্যানিমেটেড অভিব্যক্তি
  • নিজে নিজেই চোখ পিটপিট করে, চারদিকে তাকায়
  • একা থাকলে ঘুমিয়ে পড়ে
মেজাজশান্ত

খোঁচা দিতে বাক্সের ওপর ক্লিক করুন।

02অনুভূতি

সে আপনাকে টের পায়।

ভেতরের একটা মোশন সেন্সর প্রতিটা তোলা, টোকা আর ঝাঁকুনি টের পায়। প্রতিটা প্রতিক্রিয়ার পেছনে আছে সত্যিকারের কারণ।

  1. 2.1

    হাতে তুলে নিন

    এক মুহূর্ত চমকে যায়, বাঁয়ে-ডানে-ওপরে তাকায়, তারপর যতক্ষণ হাতে থাকে ততক্ষণ হাসে।

  2. 2.2

    টোকা দিন

    টোকায় সে চমকে ওঠে। চারপাশে একবার তাকিয়ে ঠিক করে খুশি হবে নাকি সন্দেহ করবে।

  3. 2.3

    ঝাঁকান

    মাথা ঘুরে যায়, তারপর সামলে নেয়। ঝাঁকাতেই থাকলে তার শরীর খারাপ লাগতে শুরু করে।

  4. 2.4

    উল্টে দিন

    উল্টো হলে সে বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে। সোজা করে দিলে স্বস্তি নিয়ে নিজেকে সামলে নেয়।

  5. 2.5

    একা থাকতে দিন

    একা পড়ে থাকলে ক্লান্ত হয়, ঝিমোয়, তারপর পর্দা বন্ধ করে দেয়। একটু নাড়া বা একটা ক্লিকেই জেগে ওঠে।

  6. 2.6

    সে মনে রাখে

    তার মেজাজ থেকে যায়। যত্নে রাখলে খুশি থাকে, অযত্ন বা রুক্ষ ব্যবহারে মন খারাপ করে।

03অ্যাপ

একটাই বোতাম। কাত করে স্ক্রল।

কমলা বোতামে ক্লিক করলে মেনু খোলে, বাক্সকে কাত করে মেনুতে এগোন, আবার ক্লিক করে বেছে নিন। ফিরে যেতে ডাবল-ক্লিক।

  • ফোকাসকাজ আর বিরতির টাইমার
  • শ্বাসধীরে শ্বাস নেওয়ার অনুশীলন
  • তরলকাত করলেই গড়িয়ে পড়ে
  • স্নেককাত করে চালান
  • ব্লকসপড়ন্ত ব্লকের ধাঁধা
  • ফ্ল্যাপক্লিক করলেই ওড়ে
  • ব্রিকসদেয়াল ভাঙুন
  • ছক্কা ও কয়েনছক্কা গড়ান, কয়েন টস করুন
  • ম্যাজিক ৮যা খুশি জিজ্ঞেস করুন
  • লেভেলসমতল মাপার যন্ত্র
  • স্ক্রিনসেভারতারা, বৃষ্টি, লাইফ আর আরও অনেক
  • কাঁপুনি ও বিপভাইব্রেশন আর শব্দ, কমানো বা বন্ধ করা যায়

কোনো অ্যাপের ওপর পয়েন্টার রাখুন, বাক্সের পর্দায় সেটা দেখা যাবে।

04গড়ন

কালচে ট্রের ওপর উষ্ণ-ধূসর খোলস।

হাতে নেওয়ার জন্যই বানানো ছোট্ট এক ডেস্ক-গ্যাজেট। খোলসটা পিছলে বসে যায় একটা ট্রের ওপর, যেটা বহন করে পর্দা আর ইলেকট্রনিক্স। ওপরে একটাই কমলা বোতাম। পেছনে চার্জ দেওয়ার USB-C পোর্ট, আর বাংলায় তার নাম।

টেনে ঘোরান · Ctrl চেপে স্ক্রল করলে জুম · খোঁচা দিতে ক্লিকটেনে ঘোরান · দুই আঙুলে জুম · খোঁচা দিতে ট্যাপ

প্রস্থ
৫৩মিমি
উচ্চতা
৪৪মিমি
গভীরতা
৬০মিমি
  • একটাই বোতাম
  • USB-C চার্জিং
  • অফলাইনে চলে: অ্যাপ বা অ্যাকাউন্ট নেই

05স্পেসিফিকেশন

বাক্সের ভেতরে

মস্তিষ্ক
ESP32-S3 মাইক্রোকন্ট্রোলার
পর্দা
১২৮ × ৬৪ OLED, কালোর ওপর সাদা
অনুভূতি
৬-অক্ষের অ্যাক্সেলেরোমিটার ও জাইরোস্কোপ
সাড়া
ভাইব্রেশন মোটর ও বিপার
নিয়ন্ত্রণ
একটা বোতাম, সঙ্গে কাত করা
শক্তি
রিচার্জেবল ব্যাটারি, USB-C চার্জিং
মাপ
৫৩ × ৪৪ × ৬০ মিমি

বাক্স এখনও তৈরি হচ্ছে। বাজারে আসার আগে স্পেসিফিকেশন বদলাতে পারে।

06প্রশ্নোত্তর

প্রশ্ন

বাক্স কি রোবট?

ঠিক তা নয়, সে চলাফেরা করে না। সে একটা ডেস্ক-পোষা: ছোট্ট একটা বাক্স, যার মুখ সাড়া দেয় আপনি তাকে কীভাবে নাড়াচাড়া করছেন তা দেখে। এর জন্য আছে একটা মোশন সেন্সর, একটা ভাইব্রেশন মোটর আর একটা বিপার।

অ্যাপ বা ওয়াই-ফাই লাগে?

না। সবকিছু বাক্সের ভেতরেই চলে। কোনো অ্যাপ নেই, অ্যাকাউন্ট নেই, কিছু সংযোগ করতে হয় না।

কীভাবে চার্জ দেব?

পেছনের USB-C পোর্টে কেবল লাগিয়ে। ভেতরে রিচার্জেবল ব্যাটারি আছে।

কত বড়?

৫৩ × ৪৪ × ৬০ মিলিমিটার। কিবোর্ডের পাশে বা বিছানার পাশের টেবিলে দিব্যি এঁটে যায়।

কবে পাওয়া যাবে?

বাক্স এখনও তৈরি হচ্ছে। তালিকায় যোগ দিন, তৈরি হলে আমরা একবার ইমেইল করে জানাব।

নাম কেন বাক্স?

সে দেখতে ছোট্ট একটা বাক্সের মতো, আর সেই বাক্সের ভেতরেই থাকে তার সব অনুভূতি।

07যোগ দিন

সবার আগে জানুন।

বাক্স এখনও তৈরি হচ্ছে। আপনার ইমেইল রেখে যান, তৈরি হলে আমরা একবারই লিখব।

আপনার ইমেইল শুধু বাক্স পাওয়া গেলে জানানোর জন্য ব্যবহার করা হবে। কারও সঙ্গে শেয়ার করা হবে না।